প্রায় ৬ লক্ষ আদায়, হাতেনাতে পাকড়াও কনস্টেবল-সহ ৪
শঙ্খচিল নিউজঃ
ঝাড়গ্রাম থানার কনস্টেবল রতন প্রামাণিককে গ্রেফতার করল রাজ্যে দুর্নীতি দমন শাখা (এসিবি)। কনস্টেবলের পাশাপাশি, তিন বালি ব্যবসায়ীর দালাল শান্তনু বারিক, দীপঙ্কর বারিক ও রবি বারিককে গ্রেফতার করে এসিবি । ধৃতদের বাড়ি বাঁধগোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্যামসুন্দরপুর গ্রামে। মঙ্গলবার রাতে ঝাড়গ্রাম থানায় থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। জানা গিয়েছে, 5 লক্ষ 70 হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে তাঁদের থেকে। গ্রেফতারের পর কলকাতার উদ্দেশে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও জানা যায়। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বর্ষাকালীন নদী থেকে বালি উত্তোলন বন্ধ থাকায় বালি মাফিয়া নদী থেকে বালি উত্তোলন করে বিক্রি ছক কষে। সেই মোতাবেক বালি পরিবহণের জন্য ট্রাক্টর পিছু টাকা আদায় শুরু করে বালি মাফিয়ার দালালরা। কোন ট্রাক্টর মালিক টাকা তোলার অভিযোগ জানায় দুর্নীতি দমন শাখার। সেই মোতাবেক দুর্নীতি দমন শাখার অফিসাররা এদিন বাঁধগোড়ায় হানা দিয়ে রবি ও দীপঙ্করকে গ্রেফতার করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে শান্তনু বারিকের সন্ধান পায় ৷ তাঁর বাড়ি থেকে ট্রাক্টর মালিকদের থেকে আদায় করা টাকা উদ্ধার হয়। দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা জানতে পারেন, আদায় করা টাকা ঝাড়গ্রাম থানার কোনও এক কনস্টেবলকে দেওয়া হবে। এর ফলে অবাধে নদী থেকে বালি উত্তোলন করে ব্যবসা করা যায়। দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা বালি ব্যবসায়ী সেজে শান্তনুর সঙ্গে ঝাড়গ্রাম থানায় পৌঁছয় এবং একটি ব্যাগে করে নিয়ে আসা 5 লক্ষ 70 হাজার টাকা ঝাড়গ্রাম থানার কনস্টেবল রতন প্রামাণিকের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ। সেই সময়ে রতনকে হাতেনাতে পাকড়াও করেন দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা।
Comments
Post a Comment